আর কতো সাকিব !!!

আর কতো সাকিব !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

লোকে বলে, সাকিব আল হাসান দলে থাকা মানে একজনের দ্বারাই দুইজন ক্রিকেটারের সার্ভিস পাওয়া। সাকিব দলে থাকা মানেই একজন ভরসাযোগ্য ব্যাটার এবং একজন ভরসাযোগ্য বোলারের ভূমিকা একত্রেই পালন করবেন একজন। সাকিব বছরের পর বছর বাংলাদেশের হয়ে এমন সার্ভিস দিয়ে গেছেন বলেই, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তালিকায় ছিলেন তিনি। কিন্তু, সাকিব দলে না থাকলে দলে কম্বিনেশন ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এখন, সেই সাকিবই আবারো ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দলের সঙ্গে ওয়ানডে কিংবা টেস্ট সিরিজ, কোনোটিতেই থাকছেন না তিনি। তবে, সাকিব যখনই দলের সঙ্গে ঘরের বাহিরের মাটিতে সিরিজ খেলতে গেছেন, বেশিরভাগ সময়েই দেশের জার্সিতে চমৎকার পারফর্মেন্সের প্রদর্শন করে দেখিয়েছেন।

আর কতো সাকিব!!
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর সাকিব

 

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর মোট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের নির্বাসিত হওয়ার সময় ব্যাতিত ঘরের বাহিরে মোট ৮টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এই ৮টি টেস্ট সিরিজের মধ্যে মাত্র ২টি টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করেছে সাকিব। বাকি ৬টি সিরিজে  ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কিংবা ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলের অংশছিলেন না সাকিব। এবার, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ থেকে আবারো নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন সাকিব।

অথচ নিজের শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও, ২ ইনিংসে দুটি ৫ উইকেটের শিকার করেছিলেন সাকিব। এরপরে, ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে অনুষ্ঠিত টি টোয়েন্টি সিরিজেও বিশ্রাম নিয়েছিলেন সাকিব। এরপর, ২০১৭ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে এবং টি টোয়েন্টি সিরিজে খেললেও টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি তার।

 [ আর কতো সাকিব !!! ]

এর আগে, গেলোবারের নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজও খেলেননি সাকিব আল হাসান। সেবারও, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছিলেন সাকিব।

২০২১ সালে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি এই সব  ফরমেট মিলিয়ে বাংলাদেশ দল ম্যাচ খেলেছে মোট ৪৬টি। যার মধ্যে ৩৩টি ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়িয়েছন সাকিব। কখনো ইনজুরি, কখনও পারিবারিক কারণ  কিংবা কখনো আইপিএল অংশগ্রহণ করার জন্য ছুটি নিয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলেননি এ অলরাউন্ডার।

গত বছর, ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ১২ ম্যাচ খেললেও তিনটি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন সাকিব। এছাড়াও, চোট থেকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় মার্চে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও ছিলেন বেশকিছু সময়।

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ২০২১ সালে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সহ ২৭ ম্যাচ খেললেও সাকিব মিস করেছিলেন ৬টি। যার তিনটি ছিল নিউজিল্যান্ড সফরে, আর বাকি তিনটি দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ঘরের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি টোয়েন্টি সিরিজ পুরোটা এবং ১টেস্টে খেলতে পারেননি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী ইনজুরির কারণে।

তবে, ইনজুরি ছাড়া পারিবারিক কারণ দেখিয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণ দেখিয়ে বহুবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাহিরে ছিলেন সাকিব। আবারো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিরতিতে গেলেন সাকিব।

লোকে বলে, সাকিব আল হাসান দলে থাকা মানে একজনের দ্বারাই দুইজন ক্রিকেটারের সার্ভিস পাওয়া। সাকিব দলে থাকা মানেই একজন ভরসাযোগ্য ব্যাটার এবং একজন ভরসাযোগ্য বোলারের ভূমিকা একত্রেই পালন করবেন তিনি। তিনি বছরের পর বছর বাংলাদেশের হয়ে এমন সার্ভিস দিয়ে গেছেন বলেই, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তালিকায় ছিলেন তিনি। কিন্তু, সাকিব দলে না থাকলে দলে কম্বিনেশন ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এবার, সেই সাকিবই আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দলের সঙ্গে ওয়ানডে কিংবা টেস্ট সিরিজ, কোনোটিতেই থাকছেন না তিনি। তবে, সাকিব যখনই দলের সঙ্গে ঘরের বাহিরের মাটিতে সিরিজ খেলতে গেছেন, বেশিরভাগ সময়েই দেশের জার্সিতে চমৎকার পারফর্মেন্সের প্রদর্শন করে দেখিয়েছেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর মোট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের নির্বাসিত হওয়ার সময় ব্যাতিত ঘরের বাহিরে মোট ৮টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এই ৮টি টেস্ট সিরিজের মধ্যে মাত্র ২টি টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করেছে সাকিব। বাকি ৬টি সিরিজে  ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কিংবা ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলের অংশছিলেন না সাকিব। এবার, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ থেকে আবারো নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন সাকিব। অথচ নিজের শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও, ২ ইনিংসে দুটি ৫ উইকেটের শিকার করেছিলেন সাকিব। এরপরে, ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে অনুষ্ঠিত টি টোয়েন্টি সিরিজেও বিশ্রাম নিয়েছিলেন সাকিব। এরপর, ২০১৭ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে এবং টি টোয়েন্টি সিরিজে খেললেও টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি তার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর সাকিব এর আগে, গেলোবারের নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজও খেলেননি সাকিব আল হাসান। সেবারও, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছিলেন সাকিব। ২০২১ সালে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি এই সব  ফরমেট মিলিয়ে বাংলাদেশ দল ম্যাচ খেলেছে মোট ৪৬টি। যার মধ্যে ৩৩টি ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়িয়েছন সাকিব। কখনো ইনজুরি, কখনও পারিবারিক কারণ  কিংবা কখনো আইপিএল অংশগ্রহণ করার জন্য ছুটি নিয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলেননি এ অলরাউন্ডার। গত বছর, ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ১২ ম্যাচ খেললেও তিনটি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন সাকিব। এছাড়াও, চোট থেকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় মার্চে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও ছিলেন বেশকিছু সময়। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ২০২১ সালে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সহ ২৭ ম্যাচ খেললেও সাকিব মিস করেছিলেন ৬টি। যার তিনটি ছিল নিউজিল্যান্ড সফরে, আর বাকি তিনটি দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ঘরের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি টোয়েন্টি সিরিজ পুরোটা এবং ১টেস্টে খেলতে পারেননি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী ইনজুরির কারণে। তবে, ইনজুরি ছাড়া পারিবারিক কারণ দেখিয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণ দেখিয়ে বহুবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাহিরে ছিলেন সাকিব। আবারো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিরতিতে গেলেন সাকিব। ঘরের বাহিরে সাকিব হাসান বেশিরভাগ সময়েই ব্যাট এবং বল উভয়েই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা শ্রীলঙ্কার মাটিতে এক ইনিংসে সেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেট নিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের ১০০তম সেঞ্চুরি এসব কিছুতেই সাকিব আল হাসান যেন তার ছাপ ছেড়ে গেছেন। কোনো গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে কিংবা কোনো বড় টুর্নামেন্টে দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের চোখ সবার আগে সাকিবের উপরই থাকে। ব্যাটিং কিংবা বোলিং সব দিকেই যেন সাকিবের দিকে চাতক পাখিদের মতো নজর থাকে ক্রিকেটপ্রেমীদের। নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারে এক ঈর্ষণীয় রেকর্ডের অধিকারী। রান এবং উইকেট কলাম, এসব কিছুই তাকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে একজন করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে ঠিকমতো টেস্ট ক্রিকেট না খেললেও এখনও আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় চতুর্থস্থানে রয়েছেন সাকিব। নিয়মিত টেস্ট খেলতে থাকলে হয়ত, এখন পর্যন্ত সব ফরমেটেই অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকতেন তিনি। একদিন আগেই সব ফরমেটে ব্যাটার, বোলার এবং অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। আইসিসির প্রকাশিত সে অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে টেস্ট এবং টি টোয়েন্টিতে শীর্ষে না থাকলেও। ওয়ানডেতে নিজের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। তবে, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটেই শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিলেন সাকিব। তাই বাকি দুই ফরমেটে সাকিবের অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান হারানো, সাকিব ভক্তকুলের মাঝে আক্ষেপ দিতেই পারে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন এবং সুপারস্টার হলেন, সাকিব আল হাসান। তবুও, বারবার গুরুত্বপুর্ণ সিরিজে সাকিবের বিরতি নেয়া , একজন সাকিব ভক্তের মাঝে উদ্বিঘ্নতার জন্ম দিতেই পারে। অভিমানী সুরে সাকিবকে প্রশ্ন করতেই পারে," আর কতো, সাকিব?।" তবুও ব নিজের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নিজের সমালোচকদের চোখে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে , সমালোচনার জবাব সাকিব দিবেন, যেনো দেশের কোটি কোটি ক্রিকেট প্রেমীর আকাঙ্ক্ষা। সাকিব পেরেছেন, সাকিব পারেন, সাকিবকে পারতেই হবে দেশের জন্য , তার ভক্তের জন্য।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশের শততম টেস্টে সেঞ্চুরির পর সাকিব

ঘরের বাহিরে সাকিব আল হাসান বেশিরভাগ সময়েই ব্যাট এবং বল উভয়েই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা শ্রীলঙ্কার মাটিতে এক ইনিংসে সেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেট নিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের ১০০তম সেঞ্চুরি এসব কিছুতেই সাকিব আল হাসান যেন তার ছাপ ছেড়ে গেছেন। কোনো গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে কিংবা কোনো বড় টুর্নামেন্টে দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের চোখ সবার আগে সাকিবের উপরই থাকে। ব্যাটিং কিংবা বোলিং সব দিকেই যেন সাকিবের দিকে চাতক পাখিদের মতো নজর থাকে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

লোকে বলে, সাকিব আল হাসান দলে থাকা মানে একজনের দ্বারাই দুইজন ক্রিকেটারের সার্ভিস পাওয়া। সাকিব দলে থাকা মানেই একজন ভরসাযোগ্য ব্যাটার এবং একজন ভরসাযোগ্য বোলারের ভূমিকা একত্রেই পালন করবেন তিনি। তিনি বছরের পর বছর বাংলাদেশের হয়ে এমন সার্ভিস দিয়ে গেছেন বলেই, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের তালিকায় ছিলেন তিনি। কিন্তু, সাকিব দলে না থাকলে দলে কম্বিনেশন ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এবার, সেই সাকিবই আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে দলের সঙ্গে ওয়ানডে কিংবা টেস্ট সিরিজ, কোনোটিতেই থাকছেন না তিনি। তবে, সাকিব যখনই দলের সঙ্গে ঘরের বাহিরের মাটিতে সিরিজ খেলতে গেছেন, বেশিরভাগ সময়েই দেশের জার্সিতে চমৎকার পারফর্মেন্সের প্রদর্শন করে দেখিয়েছেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরের পর মোট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাকিবের নির্বাসিত হওয়ার সময় ব্যাতিত ঘরের বাহিরে মোট ৮টি টেস্ট সিরিজ খেলেছে বাংলাদেশ। এই ৮টি টেস্ট সিরিজের মধ্যে মাত্র ২টি টেস্ট সিরিজে অংশগ্রহণ করেছে সাকিব। বাকি ৬টি সিরিজে  ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কিংবা ইনজুরির কারণে বাংলাদেশ দলের অংশছিলেন না সাকিব। এবার, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও ওয়ানডে এবং টেস্ট সিরিজ থেকে আবারো নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন সাকিব। অথচ নিজের শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও, ২ ইনিংসে দুটি ৫ উইকেটের শিকার করেছিলেন সাকিব। এরপরে, ২০১২ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ, জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে অনুষ্ঠিত টি টোয়েন্টি সিরিজেও বিশ্রাম নিয়েছিলেন সাকিব। এরপর, ২০১৭ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ওয়ানডে এবং টি টোয়েন্টি সিরিজে খেললেও টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি তার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরির পর সাকিব এর আগে, গেলোবারের নিউজিল্যান্ড টেস্ট সিরিজও খেলেননি সাকিব আল হাসান। সেবারও, পারিবারিক কারণ দেখিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেছিলেন সাকিব। ২০২১ সালে টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি এই সব  ফরমেট মিলিয়ে বাংলাদেশ দল ম্যাচ খেলেছে মোট ৪৬টি। যার মধ্যে ৩৩টি ম্যাচে বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়িয়েছন সাকিব। কখনো ইনজুরি, কখনও পারিবারিক কারণ  কিংবা কখনো আইপিএল অংশগ্রহণ করার জন্য ছুটি নিয়ে ১৩টি ম্যাচ খেলেননি এ অলরাউন্ডার। গত বছর, ওয়ানডেতে বাংলাদেশ ১২ ম্যাচ খেললেও তিনটি ম্যাচে অনুপস্থিত ছিলেন সাকিব। এছাড়াও, চোট থেকে পুরোপুরি ফিট না হওয়ায় মার্চে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে ছুটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেও ছিলেন বেশকিছু সময়। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ ২০২১ সালে, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সহ ২৭ ম্যাচ খেললেও সাকিব মিস করেছিলেন ৬টি। যার তিনটি ছিল নিউজিল্যান্ড সফরে, আর বাকি তিনটি দেশের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে। ঘরের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি টোয়েন্টি সিরিজ পুরোটা এবং ১টেস্টে খেলতে পারেননি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী ইনজুরির কারণে। তবে, ইনজুরি ছাড়া পারিবারিক কারণ দেখিয়ে কিংবা অন্য কোনো কারণ দেখিয়ে বহুবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বাহিরে ছিলেন সাকিব। আবারো, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বিরতিতে গেলেন সাকিব। ঘরের বাহিরে সাকিব হাসান বেশিরভাগ সময়েই ব্যাট এবং বল উভয়েই আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি কিংবা শ্রীলঙ্কার মাটিতে এক ইনিংসে সেঞ্চুরি এবং ৫ উইকেট নিয়ে নিজের আন্তর্জাতিক টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসের ১০০তম সেঞ্চুরি এসব কিছুতেই সাকিব আল হাসান যেন তার ছাপ ছেড়ে গেছেন। কোনো গুরুত্বপুর্ণ ম্যাচে কিংবা কোনো বড় টুর্নামেন্টে দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের চোখ সবার আগে সাকিবের উপরই থাকে। ব্যাটিং কিংবা বোলিং সব দিকেই যেন সাকিবের দিকে চাতক পাখিদের মতো নজর থাকে ক্রিকেটপ্রেমীদের। নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারে এক ঈর্ষণীয় রেকর্ডের অধিকারী। রান এবং উইকেট কলাম, এসব কিছুই তাকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে একজন করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে ঠিকমতো টেস্ট ক্রিকেট না খেললেও এখনও আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় চতুর্থস্থানে রয়েছেন সাকিব। নিয়মিত টেস্ট খেলতে থাকলে হয়ত, এখন পর্যন্ত সব ফরমেটেই অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকতেন তিনি। একদিন আগেই সব ফরমেটে ব্যাটার, বোলার এবং অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। আইসিসির প্রকাশিত সে অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে টেস্ট এবং টি টোয়েন্টিতে শীর্ষে না থাকলেও। ওয়ানডেতে নিজের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। তবে, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটেই শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিলেন সাকিব। তাই বাকি দুই ফরমেটে সাকিবের অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান হারানো, সাকিব ভক্তকুলের মাঝে আক্ষেপ দিতেই পারে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন এবং সুপারস্টার হলেন, সাকিব আল হাসান। তবুও, বারবার গুরুত্বপুর্ণ সিরিজে সাকিবের বিরতি নেয়া , একজন সাকিব ভক্তের মাঝে উদ্বিঘ্নতার জন্ম দিতেই পারে। অভিমানী সুরে সাকিবকে প্রশ্ন করতেই পারে," আর কতো, সাকিব?।" তবুও ব নিজের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নিজের সমালোচকদের চোখে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে , সমালোচনার জবাব সাকিব দিবেন, যেনো দেশের কোটি কোটি ক্রিকেট প্রেমীর আকাঙ্ক্ষা। সাকিব পেরেছেন, সাকিব পারেন, সাকিবকে পারতেই হবে দেশের জন্য , তার ভক্তের জন্য।
২০১৯ বিশ্বকাপে সেঞ্চুরির পর সাকিব

নিজের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটীয় ক্যারিয়ারে এক ঈর্ষণীয় রেকর্ডের অধিকারী। রান এবং উইকেট কলাম, এসব কিছুই তাকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে একজন করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে ঠিকমতো টেস্ট ক্রিকেট না খেললেও এখনও আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডারদের তালিকায় চতুর্থস্থানে রয়েছেন সাকিব। নিয়মিত টেস্ট খেলতে থাকলে হয়ত, এখন পর্যন্ত সব ফরমেটেই অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকতেন তিনি।

একদিন আগেই সব ফরমেটে ব্যাটার, বোলার এবং অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিং প্রকাশ করেছে আইসিসি। আইসিসির প্রকাশিত সে অলরাউন্ডারদের র‍্যাংকিংয়ে টেস্ট এবং টি টোয়েন্টিতে শীর্ষে না থাকলেও। ওয়ানডেতে নিজের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছেন পোস্টারবয় সাকিব আল হাসান। তবে, দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সব ফরমেটেই শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিলেন সাকিব। তাই বাকি দুই ফরমেটে সাকিবের অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান হারানো, সাকিব ভক্তকুলের মাঝে আক্ষেপ দিতেই পারে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন এবং সুপারস্টার হলেন, সাকিব আল হাসান। তবুও, বারবার গুরুত্বপুর্ণ সিরিজে সাকিবের বিরতি নেয়া , একজন সাকিব ভক্তের মাঝে উদ্বিঘ্নতার জন্ম দিতেই পারে। অভিমানী সুরে সাকিবকে প্রশ্ন করতেই পারে,” আর কতো, সাকিব?।” তবুও নিজের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে নিজের সমালোচকদের চোখে বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে , সমালোচনার জবাব সাকিব দিবেন, যেনো দেশের কোটি কোটি ক্রিকেট প্রেমীর আকাঙ্ক্ষা। সাকিব পেরেছেন, সাকিব পারেন, সাকিবকে পারতেই হবে দেশের জন্য , তার ভক্তের জন্য।

আরও পড়ুন:

স্বর্নালী কেশের ঘূর্ণি যাদুকর – শেন ওয়ার্ন

সব নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপের আদ্যোপান্ত

ঐতিহাসিক মার্চ এবং দেশের ক্রিকেটের সব ঐতিহাসিক অর্জন

আসন্ন নারী ক্রিকেট বিশ্বকাপে সেরা অলরাউন্ডার [ The best all-rounder in the upcoming Women’s Cricket World Cup ]

সাকিব আল হাসান

মন্তব্য করুন