চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ

চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ [ Cheteshwar Pujara ] চেতেশ্বর পূজারা, ভারতীয় টেস্ট দলের এক অন্যতম ব্যাটিং স্তম্ভ। মূলত, টেস্ট ব্যাটার হিসেবেই ভারতীয় ক্রিকেটে তার পরিচিতি। ব্যাটিংয়ে তার ধৈর্য্য এবং ব্যাটিং ক্রিজে নিজের শান্ত শিষ্ট স্বভাবের জন্য তার পরিচিতি।

চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ

চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ

তবে, এবার ইংলিশ কাউন্টি ক্রিকেটে বিপক্ষ দলের বোলারদের উপর রীতিমত হামলা করছেন পূজি। কাউন্টি দল সাসেক্সের অধিনায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর দুটি আক্রমণাত্মক সেঞ্চুরি করেছেন তিনি যা রীতিমত হৈচৈ ফেলে দিয়েছে ক্রিকেট বিশ্বে।

টেস্ট স্পেশালিস্ট খ্যাত পূজারা ব্যাক টু ব্যাক  দুটো ওয়ানডে ফরমেটে  ম্যাচে সেঞ্চুরি করলেন। তবে,  সারের বিরুদ্ধে শুধু সেঞ্চুরি নয় বরং  লিস্ট এ ক্রিকেটে পূজারা নিজের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস খেলেন। রবিবার, সারের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে  চারে ব্যাট করতে নেমে ১৩১ বলে ১৭৪ রানের অবিশ্বাস্য ইনিংস খেলেন সাসেক্স অধিনায়ক পূজারা। সীমিত ওভারের ভারতীয় দলে খুব কম সুযোগ পাওয়া  পূজারা এদিন হাকান ২০টি বাউন্ডারি, ৫টি ওভার বাউন্ডারি।

চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ

চেতেশ্বর অরবিন্দ পুজারা (গুজরাটি: ચેતેશ્વર પુજારા; জন্ম: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৮৮) গুজরাতের রাজকোটে জন্মগ্রহণকারী ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে ভারত দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছেন। ডিসেম্বর, ২০০৫ তারিখে ঘরোয়া ক্রিকেটে সৌরাষ্ট্রর পক্ষে প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ ঘটিয়েছেন এবং ৯ অক্টোবর, ২০১০ তারিখে ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত টেস্ট ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে অভিষিক্ত হন।

তিনি ২০১০ গ্রীষ্মে ইংল্যান্ড সফরকারী ভারত এ দলে ছিলেন এবং এই সফরের সর্বোচ্চ রান করেন। ২০১১ সালের অক্টোবরে বিসিসিআই তাঁকে ডি গ্রেড জাতীয় চুক্তিতে নিযুক্ত করে। তিনি শীঘ্রই লম্বা ইনিংস খেলার কৌশল এবং স্বভাবের জন্য পরিচিত হতে থাকেন, তার ফল সরূপ রাহুল দ্রাবিড় এবং ভিভিএস লক্ষ্মণের অবসরের পর ভারতীয় দলের মিডল অর্ডারে জায়গা পাওয়ার যোগ্য হিসাবে অন্যতম দাবিদার হন।

চেতেশ্বর পূজারার রুদ্র রুপ

আগস্ট ২০১২ সালে, তিনি তার টেস্ট প্রত্যাবর্তনে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন এবং নভেম্বরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আহমেদাবাদে তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন। তার দুই নম্বর ডাবল সেঞ্চুরির জন্য বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি, ২০১৩ সালের মার্চ মাসে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনি আরও একটি ডাবল সেঞ্চুরি করেন এবং দুবারই তার হাত ধরে ভারত জয় পায় এবং তিনি ম্যান অফ দ্য ম্যাচের শিরোপা পান।

২০১২ সালে এনকেপি সালভ চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে তিনি দুটি সেঞ্চুরি এবং একটি অর্ধশতক করে সর্বোচ্চ রান করেন। তিনি মাত্র ১১ টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচে এবং ১৮ তম টেস্ট ইনিংসে ১০০০ রান করেন তার ফলে তিনি দ্রুততম ১০০০ রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে একজন হন। তিনি ২০১৩ সালে উদীয়মান ক্রিকেটার পুরস্কার লাভ করেন।

আরও দেখুন:

মন্তব্য করুন