সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান

বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান !!! ইয়ন মরগ্যান, ইংল্যান্ড দলের সফলতম অধিনায়ক। বেশ কিছুদিন ধরেই অফফর্মে ভুগছিলেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন । তবে, সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিলো ইংল্যান্ড দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাড়াতে পারেন তিনি কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে পারেন ইয়ন। তবে, আজ অফিশিয়াল ঘোষণা দিলেন ইয়ন মরগ্যান।

মরগ্যানের হাত ধরেই ২০১৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ইংল্যান্ড। তবে, এর আগে তিনবার ফাইনালে উঠে অল্পের জন্য চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি তার দল।

সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান

সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান

ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন তিনি এবং সবচেয়ে বেশি রানও করেছেন। ওয়ানেডেতে খেলেছেন মোট ২৪৮ ম্যাচ। রান করেছেন ৩৯.২৯ গড়ে ৭৭০১। সেঞ্চুরি ১৪টি, হাফ সেঞ্চুরি ৪৭টি। টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ১১৫টি। ২৮.৫৮ গড়ে এবং ১৩৬.১৭ স্ট্রাইকরেটে রান করেছেন ২৪৫৮। সেঞ্চুরি নেই, হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ১৪টি।

Sports Gurukul GOLN Website Logo 01 সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান

ইয়ন জোসেফ জেরার্ড মর্গ্যান আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়। বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্সের পক্ষ হয়ে খেলে থাকেন। টেস্ট, একদিনের আন্তর্জাতিক এবং টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ড দলের সদস্য ইয়ন মর্গ্যান। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডের একদিনের আন্তর্জাতিক দলে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি আয়ারল্যান্ডের পক্ষ হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলেছিলেন। পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের হয়ে খেলছেন। ক্রিকেটের ইতিহাসে একমাত্র ব্যাটসম্যানরূপে দুই দেশের হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি দলের ইনিংস সমাপণকারীর ভূমিকায়ও আবির্ভূত হয়ে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন। রিভার্স সুইপ শটে দক্ষ ক্রিকেটার হিসেবেও চিহ্নিত তিনি; যা আয়ারল্যান্ডের জনপ্রিয় ক্রীড়া হার্লিং থেকে প্রভাবিত হয়েছেন।

Sports Gurukul GOLN Website Logo 01 সব ধরণের ক্রিকেট থেকে বিদায় নিলেন ইয়ন মরগ্যান

মর্গ্যান ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন। লিসন স্ট্রিটের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি স্কুলে অধ্যয়ন করেন। বিদ্যালয়ের পক্ষ হয়ে সেখানে তিনবার সিনিয়র কাপ জয় করেন। শৈশবে সপ্তাহে দুইবার হার্লিং খেলায় অংশগ্রহণ করতেন যা তাকে দক্ষ ব্যাটসম্যানরূপে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। হার্লিং খেলাকে অনুসরণ করে রিভার্স সুইপে দক্ষ হয়ে উঠেন।

এ সময়ে সংক্ষিপ্তকালের জন্য ডালউইচ কলেজে ক্রিকেট খেলা বিষয়ে অধ্যয়ন করেন। এভাবেই তিনি ইংল্যান্ডের পক্ষ হয়ে খেলার জন্য উদ্বুদ্ধ হন।[২] মর্গ্যান আয়ারল্যান্ড যুব দলের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৭ দলে খেলেন। আয়ার‌ল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে ২০০৪ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ও সব মিলিয়ে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের অধিকারী হন। দুই বছর পর তিনি আয়ারল্যান্ড দলের হয়ে ২০০৬ সালের আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় দলকে নেতৃত্ব দেন। সেখানে তিনি সামগ্রীকভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান করেন।

আরও পড়ুন:

মন্তব্য করুন